স্বাগতম বিডি সংসার এ। আজ কথা বলবো হোয়াইট হেডস নিয়ে। হোয়াইট হেডস হচ্ছে এক ধরনের ব্রন। ত্বক থেকে নির্গত তেল বা মৃত কোষ দিয়ে ত্বকের রন্ধ্র ব্লক হোয়াকে হোয়াইট হেডস বলা হয়।  এটা মুখের দিকে তাকিয়ে পরিস্কার ভাবে বোঝা যায়। তাই এটি ত্বকের সুন্দর্য নস্ট করে থাকে।  আসুন আজ জেনে নেই কিভাবে এই সমস্যা থেকে মুক্তি পাবেন। 

কর্ন ফ্লাওয়ার পানিতে মিশিয়ে রাখুন। এতে কয়েক ফোটা ভিনেগার মিশিয়ে নিন। এবার এই মিশ্রন ত্বকে লাগিয়ে ৩০ মিনিট অপেক্ষা করুন। ৩০ মিনিট পর কুসুম গরম পানিতে নরম কাপড় ভিজিয়ে তুলে ফেলুন। এরপর ঠান্ডা পানি দিয়ে মুখ ধুয়ে ফেলুন। 

মেথি বাটা ত্বকের জন্য খুব ভালো কাজ করে থাকে।  তাই প্রতি রাতে মেথি বাটা হোয়াইট হেডস এর যায়গায় লাগিয়ে ঘুমাতে যান। সকালে উঠে কুসুম গরম পানিতে ধুয়ে ফেলুন। তাহলে 

চন্দনের গুঁড়া ও গোলাপজল একসঙ্গে মিলিয়ে পেস্ট বানিয়ে ব্যবহার করুন । ২০-৩০ মিনিট পর কুসুম গরম পানিতে ধুয়ে ফেলুন ।

১০০ গ্রাম গোলাপ জলে ১ চা চামচ কর্পূর মিশিয়ে রেখে দিন। দিনে ২ /৩ বার তুলোয় নিয়ে এই মিশ্রণ দিয়ে হোয়াইট হেডস পরিষ্কার করুন।

ত্বকের যে কোনো জায়গায় হোয়াইট হেডস হলে সেটা কখনই চাপ দিয়ে বের করার চেষ্টা করবেন না। আতপ চালের গুঁড়োর সঙ্গে মসুর ডাল বাটা লাগালে এর থেকে মুক্তি পাবেন।

দুই লিটার পানির মধ্যে ৫০টি নিমপাতা সেদ্ধ করতে হবে। পাতাগুলো নরম ও বিবর্ণ না হওয়া পর্যন্ত পানি ফুটাতে হবে। পানি সবুজ রং ধারণ করলে নামিয়ে বোতলে ঢেলে রাখতে হবে। প্রতিদিন গোসলের পানিতে ১০০মিলি পরিমাণের নিমপাতার পানি মিশিয়ে গোসল করলে চামড়ার ইনফেকশন দূর হবে। এছাড়া ব্রণ এবং হোয়াইট হেডস দূর হবে।

চিনি , লেবুর রস এবং অলিভ অয়েল দিয়ে মাস্ক তৈরী করে নিন। এবার কিছুক্ষণ এই মিশ্রণ দিয়ে ত্বক ম্যাসাজ করে ধুয়ে নিন। চালের গুঁড়াও স্ক্রাব হিসেবে ব্যবহার করতে পারেন।

টমেটো হল প্রাকৃতিক অ্যান্টিসেপ্টিক যা হোয়াইটহেডস দূর করে। টমেটোর খোসা ছাড়িয়ে ম্যাস করে নিন। এই পাল্প ঘুমোতে যাওয়ার আগে লাগিয়ে রাখুন। পুরো রাত এটি এফেক্টেড এরিয়াতে কাজ করবে। সকালে উষ্ণ গরম পানি দিয়ে ধুয়ে ফেলুন।