বয়স ৪০ এর বেশি হলে তখন অল্প সল্প নাক ডাকা তেমন ক্ষতিকর না হলেও বিকট শব্দে নাক ডাকা ও বাচ্চাদের নাক ডাকা সব সময় অন্য কোন কারনে হয়ে থাকে। ঘুমের মধ্যে দম বন্ধ হয়ে এলে এবং শ্বাস নেওয়ার সময় হাসফাস করাই সব থেকে খারাপ ধরনের নাক ডাকা। আজ এসব নিয়েই কিছু তথ্য সেয়ার করবো। 

কেন ও কোথায় হয় : নিঃশ্বাস নেওয়ায়র সময় শ্বাস নেওয়ার রাস্তায় বাতার প্রবেশ এ বাধা পাওয়ার ফলেই এই ধরনের সমস্যা হয়ে থাকে। নাক ডাকার উৎপত্তি হচ্ছে নাক, তালু বা মুখ গহ্বর। নাক ডাকার প্রধান কারন হচ্ছে নাকের হাড় বাঁকা, সাইনাসে প্রদাহ, মোটা মানুষের গলায় অতিরিক্ত মেদ জমা। শিশুদের ক্ষেত্রে টনসিল বড় হয়ে গেলে এবং গলায় ঘনঘন ইনফেকশন হলে নাক ডাকার সমস্যা হতে পারে।

 

করণীয় : যাদের শরীর মেদবহুল, তাদের ওজন কমানোর প্রয়োজন। ধূমপান ও মদ পানের অভ্যাস থাকলে তা ত্যাগ করতে হবে। বিরত থাকতে হবে ঘুমের ওষুধ সেবন থেকে। শিশুদের টনসিল ও এডিনয়েড অপারেশন করা। নাকের হাড় বাঁকার যথাযথ চিকিৎসা প্রয়োজন। কোনো অবস্থাতেই এ সমস্যাকে হেলাফেলা করবেন না।