ঢাকা শনিবার, ২৫ মে ২০২৪ আপডেট প্রায় ১ মাস আগে

জনপ্রিয়

রাতে চুল খুলে ঘুমাবেন, না বেনী করে? নাকি খোপা করে?

ডেস্ক ১৫ সেপ্টেম্বর ২০১৮ ১২:০০ ঘটিকা ৪৩

চুল নিয়ে চিন্তার কোন শেষ নেই। চুল পড়লে তখন সব কিছুতেই প্রয়োজন বাড়তি যত্ন। রাতে ঘুমানোর আগে আমাদের চুলে প্রয়োজন বাড়তি যত্ন। অনেকেই এই সকল বিষয় মেনে না চলার কারনে চুলের নানা সমস্যার সৃষ্টি হয়। ঘুমানোর সময় আমারা অনেকেই চুল বেধে ঘুমাই, কেউ বা খোপা করে, আবার কেউ চুল ছেড়ে দিয়ে। তবে আমরা অনেকেই জানি না সঠিক পদ্ধতি কোনটি। আজ এই সব নানা প্রশ্নের উত্তর দেবো এই পোস্টে। 

অনেকেই চুল ভেজা রেখেই ঘুমাতে চলে যান। এটা মোটেই উচিৎ না। তাই বলে আবার হেয়ার ড্রাইয়ার ব্যবহার করবেন না। মনে রাখবেন হেয়ার ড্রায়ার আপনার চুলের অনেক ক্ষতি করবে। এটা চুল অতিরিক্ত ড্রাই করে ফেলে। তাই সব সময় চেস্টা করবেন হেয়ার ড্রায়ার এড়িয়ে যেতে। চুল ভিজা থাকলে প্রথমে মোটা তোয়ালে দিয়ে চুল মুছে তার পর মোটা দাঁতের চিরুনি দিয়ে আচড়াবেন। 

চুল আচড়ানোর সময় সব সময় হালকা হাতে আচড়াবেন। বেশি চোড়ে আচড়ালে চুলের গোড়া, আলগা হয়ে যায়। তাই ভেজা চুল নিয়ে ঘুমাবেন না। আর ভেজা চুল নিয়ে ঘুমালে চুলে জট বেশি পড়ে। 

চুলে ক্লিপ, বিডস দিয়ে চুল বাধলে ঘুমাতে যাওয়ার আগে অবশ্যই এগুলো খুলে চুল আচড়িয়ে তবেই ঘুমাবেন। 

হেয়ার স্টাইল করতে অনেক সময় হেয়ার জেল বা স্প্রে ব্যবহার করা হয়। এগুলো ব্যবহার করলে অবশ্যই চুল ধুয়ে বা শ্যাম্পু করে নেবেন। 

চুলের জট ছাড়ানোর জন্য অবশ্যই মোটা দাঁতের চিরুনি ব্যবহার করুন। প্রথমে সব চুল উল্টে নিয়ে পেছন থেকে সামনের দিকে কিছুক্ষণ আঁচড়ান। আবার কিছুক্ষণ সামনে থেকে পেছন দিকে আঁচড়ান। এভাবে প্রতিদিন ঘুমাতে যাওয়ার আগে চুল আঁচড়ে ঘুমাতে গেলে মাথার স্ক্যাল্পে রক্ত সঞ্চালন বৃদ্ধি পাবে এবং চুলপড়া কমে যাবে।

যাদের চুল পরিস্কার তারা রাতে তেল লাগিয়ে ঘুমাতে পারেন। ভালো নারিকেল তেল বা অলিভ অয়েল ব্যবহার করতে পারেন। তেল মাথায় নিয়ে ৫ মিনিট ম্যাসাজ করুন। এতে মাথার ত্বকের রক্ত সঞ্চালন ভালো হবে। সম্ভব হলে সপ্তাহে  এক দিন তেলের সাথে ভিটামিন ই ক্যাপস্যুল ব্যবহার করুন। কাপড় দিয়ে তৈরি ব্যান্ড বা কাপড় দিয়ে মাথা ঢেকে ঘুমালে বালিশে তেল লাগবে না। 

ঘুমানোর সময় চুল কখনো খোলা রেখে ঘুমাবেন না। এতে চুলে জট লাগতে পারে। ঘুমাতে যাওয়ার আগে মাঝারি চুলে বেনি বাধতে পারেন। আর যাদের চুল ছোট তারা পিনিটেল বেধে রাখতে পারেন। 

চুল খুব টেনে বাধবেন না, তাতে কপাল চওড়া হয়ে যাওয়ার সম্ভাবনা যেমন বাড়ে, চুল ঝরার পরিমাণও বেড়ে যায়। 

যাদের চুল কোকড়া তারা নাইলনের ব্রাশ ব্যবহার করা থেকে বিরত থাকুন। 

অমসৃণ কভারের বালিশে ঘুমালে চুল রুক্ষ হয়ে ওঠে। চুল ফাটা ও চুল ভেঙ্গে ঝরে পড়ার মতন সমস্যাও দেখা দেয়। তাই চুলের এই সকল সমস্যা থেকে মুক্তি পেতে হলে সুতি বা সার্টিন, সিক্লের কাপড়ের কভার ব্যবহার করুন। 

আপনার জন্য নির্বাচিত »

লাইফস্টাইল থেকে আরও খবর »