ওজন নিয়ে চিন্তায় আছেন? খাওয়া কমিয়ে দিয়েছেন তাও দিন দিন ওজন বাড়তেই আছে। আর মধ্যবয়সে যেন এই সমস্যা বেশি হয়, ৩৫ বছরের পরে সুস্থ থাকতে হলে অবশ্যই ওজন নিয়ন্ত্রনে রাখতে হবে। সেই সব নানা কথা জানাতে আজকের এই টিপস। 

যারা বেশি খেতে পছন্দ করেন, তাদের জন্য খাওয়া কমানোর পরামর্শ দিয়ে থাকেন ডাক্তাররা। একজন ডায়েটেশিয়েনের থেকে ভালো একটি ডায়েট চার্ট তৈরি করুন। আর তা ফলো করতে থাকুন। নিয়মিত শারীরীক ব্যায়াম এর পাশাপাশি মেনে চলতে হবে। পাতে খাবারের পরিমান কমাতে থাকুন, এক এক জন মানুষের খাবারের চাহিদা এক ক রকম হয়। আপনার বয়স ৪০ এর কাছাকাছি হয়ে থাকলে, ৪০০-৫০০ ক্যালরিতে কমিয়ে আনুন। 

 

ওজন কমাতে টার্গেট ফিক্স করুন। প্রতি মাসে ওজন কমানোর পরিকল্পনায় অলসতা আসাই স্বাভাবিক। তবে কিছু সফলতার দেখা পেলে উৎসাহ বেরে যায়। ধীরে ধীরে ভালো অভ্যাস গুলো আয়ত্ত করুন। ফল ও সবজি বেশি করে খেতে থাকুন, ভাত ও ফাস্ট ফুডকে বলুন বাই বাই। 

তিন বেলাই খাবার খাবেন তবে পরিমান মেপে। দিনের এক বেলার খাবারও বাদ দেবেন না। বাদ দিলে রক্তে গ্লুকোজের মাত্রা বেড়ে যেতে পারে। আমরা অনেকেই ওজন কমানোর কথা চিন্তা করে ১ বেলা খাওয়া ছেড়ে দেই। কিন্তু এতা মোটেই উচিৎ না। 

আপনার পাতে শিম, ফল ও মিস্টি আলু জাতীয় খাবার বাড়াতে থাকুন, ভাতের উপর প্রেশার কমান। 

দেহে প্রোটিন এর আবশ্যকতা করেছে। তাই যতবার খাবেন, পেটে যেন ১০ গ্রাম প্রোটিন পড়ে সেই দিকে খেয়াল রাখবেন। আর ওজন কমাতে চাইলে জাঙ্ক ফুডকে বলুন না।